ভুয়া লিঙ্কে প্রতারণায় ব্যাংক থেকে টাকা কেটে নেওয়ার অভিযোগ (লিখিত ফরম্যাট)
তারিখ: [দিন/মাস/বছর]
To, [Officer-in-Charge / Inspector-in-Charge] [সংশ্লিষ্ট থানা বা সাইবার ক্রাইম থানার সম্পূর্ণ নাম] [পুলিশ জেলা বা কমিশনারেটের নাম], পিন - [পিন কোড]।
বিষয়: ভুয়া লিঙ্কে প্রতারণায় ব্যাংক থেকে টাকা কেটে নেওয়ার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ।
মহাশয়/মহাশয়া, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি [আপনার পূর্ণ নাম], পিতা/স্বামী - [পিতা বা স্বামীর নাম], ঠিকানা: গ্রাম/পাড়া - [নাম], পোস্ট - [পোস্ট অফিস], থানা - [থানার নাম], জেলা - [জেলার নাম]-এর একজন স্থায়ী বাসিন্দা। আমার নামীয় [ব্যাংকের নাম ও শাখা]-তে একটি সেভিংস অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যার অ্যাকাউন্ট নম্বর হলো [আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর] এবং রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর [আপনার মোবাইল নম্বর]।
গত [ঘটনার তারিখ] তারিখ আনুমানিক [সময়] নাগাদ একটি ভুয়া লিঙ্ক [লিঙ্কের বিবরণ]-এর মাধ্যমে প্রতারণা করে আমার উক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে [টাকার পরিমাণ] টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ: [বিবরণ]।
প্রতারণামূলক লেনদেনের (Unauthorized Transactions) বিস্তারিত বিবরণ নিম্নরূপ:
- ঘটনার তারিখ ও সময়: [তারিখ] | সময়: [সময়]
- লেনদেনের মাধ্যম: [UPI / Net Banking / Debit Card / AePS Fingerprint]
- প্রতারকের মোবাইল বা UPI ID (যদি জানা থাকে): [নম্বর বা ইউপিআই আইডি]
- ট্রানজাকশন আইডি / ইউটিআর নম্বর (UTR / RRN No.): [১২ সংখ্যার ইউটিআর বা রেফারেন্স নম্বর লিখুন]
- কেটে নেওয়া টাকার পরিমাণ: [টাকার অঙ্ক] টাকা (কথায়: [কথায় লিখুন])
- ন্যাশনাল সাইবার পোর্টাল (1930) অ্যাকনোলজিজমেন্ট নম্বর: [যদি 1930-এ অভিযোগ করে থাকেন তবে সেই নম্বরটি দিন]
বিষয়টি বুঝতে পারার সাথে সাথেই আমি আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও এটিএম কার্ডটি ব্লক করেছি এবং জাতীয় সাইবার ক্রাইম হেল্পলাইন (1930)-এ অভিযোগ নথিভুক্ত করেছি।
অতএব, মহাশয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ, উপরোক্ত সাইবার প্রতারণার ঘটনাটি আপনার থানায় নথিভুক্ত (GD / FIR) করে প্রতারকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি দ্রুত ফ্রিজ (Freeze) করার এবং আমার খোয়া যাওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের (Recovery) প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বিশেষভাবে বাধিত হব।
ধন্যবাদান্তে, ইতি— [আপনার পূর্ণ নাম] মোবাইল নম্বর: [বিকল্প সচল মোবাইল নম্বর] সংযুক্তি: ১) ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও পাসবইয়ের জেরক্স, ২) মেসেজ বা পেমেন্ট স্ক্রিনশট, ৩) ১৯৩০ সাইবার পোর্টালের কমপ্লেইন রসিদ, ৪) পরিচয়পত্রের জেরক্স।
আবেদনের সাথে কী কী ডকুমেন্ট (জেরক্স) জমা দিতে হবে?
| প্রয়োজনীয় নথি (Document) | নিয়ম ও নির্দেশাবলি (Requirement Details) |
|---|---|
| স্বাক্ষরিত অভিযোগ পত্র (২ কপি) | সাদা A4 কাগজে লেখা বা প্রিন্ট করা ২ কপি দরখাস্ত (১ কপি থানায় জমা থাকবে, অপর কপিতে রিসিভ স্ট্যাম্প ও GD/FIR নম্বর নিয়ে ব্যাংকে জমা দিতে হবে)। |
| ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও পাসবই (Bank Statement) | যে তারিখ ও সময়ে টাকা কেটেছে, সেই লেনদেনটি হাইলাইট (Mark) করা আপডেট ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা পাসবইয়ের ফটোকপি। |
| লেনদেনের স্ক্রিনশট ও মেসেজ প্রিন্ট | টাকা কেটে নেওয়ার ব্যাংক SMS, ইউপিআই (GPay/PhonePe/Paytm) ট্রানজাকশন হিস্ট্রি এবং প্রতারকের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট বা কল লগের প্রিন্টআউট। |
| ১৯৩০ / সাইবার পোর্টাল রসিদ | cybercrime.gov.in পোর্টালে বা ১৯৩০ নম্বরে অভিযোগ করার পর প্রাপ্ত NCRP Acknowledgement PDF-এর প্রিন্ট কপি। |
| আবেদনকারীর পরিচয়পত্র (ID Proof) | ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড বা সরকারি সচিত্র পরিচয়পত্রের স্ব-প্রত্যয়িত (Self-Attested) ফটোকপি। |
জরুরি করণীয় ও টাকা ফেরত পাওয়ার পদ্ধতি
- ধাপ ১ — ১৯৩০ (1930) হেল্পলাইনে কল: টাকা কাটার সাথে সাথে এক মুহূর্ত দেরি না করে 1930 টোল-ফ্রি নম্বরে ফোন করুন অথবা cybercrime.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Report Financial Fraud’ অপশনে লেনদেনের UTR নম্বর দিয়ে রিপোর্ট করুন। এতে সাইবার সেল সরাসরি প্রতারকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকাটি আটকে (Lien/Hold) দিতে পারে।
- ধাপ ২ — ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও কার্ড ব্লক: আপনার ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে বা ব্রাঞ্চে গিয়ে তাৎক্ষণিক এটিএম কার্ড, ইউপিআই ও নেট ব্যাংকিং ব্লক করুন।
- ধাপ ৩ — থানায় লিখিত অভিযোগ জমা: উপরের ফরম্যাটে ২ কপি দরখাস্ত লিখে সমস্ত প্রমাণসহ আপনার লোকাল থানায় বা জেলার Cyber Crime Police Station-এ জমা দিন এবং ডিউটি অফিসারের কাছ থেকে স্ট্যাম্প ও ডায়েরি নম্বর যুক্ত রিসিভ কপি সংগ্রহ করুন।
- ধাপ ৪ — ব্যাংকে ডিসপিউট ফর্ম (Dispute Form) জমা: থানার রিসিভ কপি এবং ১৯৩০-এর কমপ্লেইন কপি নিয়ে ৩ দিনের মধ্যে আপনার ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের কাছে যান এবং একটি ‘Unauthorized Transaction Dispute / Chargeback Form’ পূরণ করে জমা দিন।