ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এনপিসিআই ডিবিটি ম্যাপিং করার আবেদন (লিখিত ফরম্যাট)
তারিখ: [দিন/মাস/বছর]
To, Bank Manager. [ব্যাংকের নাম] [শাখার নাম], [শাখার ঠিকানা]।
বিষয়: ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এনপিসিআই ডিবিটি ম্যাপিং করার আবেদন।
মহাশয়/মহাশয়া, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি [আপনার পূর্ণ নাম], আপনার শাখার একজন সেভিংস অ্যাকাউন্ট গ্রাহক। আমার অ্যাকাউন্ট নম্বর হলো [অ্যাকাউন্ট নম্বর] এবং রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর [মোবাইল নম্বর]।
বর্তমানে আমার উক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরকারি প্রকল্পের অর্থ (DBT) পাওয়ার জন্য এনপিসিআই ম্যাপারে আধার সিডিং করা প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় তথ্য নিচে উল্লেখ করা হলো:
- গ্রাহকের পূর্ণ নাম: [আপনার নাম]
- আধার কার্ড নম্বর: [Aadhaar Redacted / আপনার আধার নম্বর লিখুন]
অতএব, মহাশয়ের কাছে বিনীত অনুরোধ, আমার জমা দেওয়া নথিপত্র যাচাই করে উক্ত অ্যাকাউন্টে সরকারি প্রকল্পের অর্থ (DBT) পাওয়ার জন্য এনপিসিআই ম্যাপারে আধার সিডিং করার ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বিশেষভাবে বাধিত হব।
ধন্যবাদান্তে, ইতি— [আপনার পূর্ণ নাম] ঠিকানা: [আপনার সম্পূর্ণ ঠিকানা] সংযুক্তি: ১) পাসবইয়ের প্রথম পাতার কপি, ২) আধার কার্ডের কপি, ৩) ব্যাংকের নির্ধারিত NPCI Aadhaar Seeding Consent Form।
আবেদনের সাথে কী কী ডকুমেন্ট (জেরক্স) জমা দিতে হবে?
| প্রয়োজনীয় নথি (Document) | নিয়ম ও নির্দেশাবলি (Requirement Details) |
|---|---|
| স্বাক্ষরিত আবেদন ও সম্মতি ফর্ম | ব্যাংকের নির্ধারিত NPCI Aadhaar Seeding Consent Form ও স্বাক্ষরিত আবেদন জমা দিন। |
| ব্যাংক পাসবই (Passbook) | পাসবইয়ের প্রথম পাতার জেরক্স কপি জমা দিন এবং ভেরিফিকেশনের জন্য আসল পাসবই সাথে রাখুন। |
| আধার কার্ড (Aadhaar Card) | আধার কার্ডের স্ব-প্রত্যয়িত (Self-Attested) ফটোকপি এবং আসল কার্ড। |
জমা দেওয়ার নিয়ম ও পদ্ধতি
- ডিবিটি (DBT) ফর্ম আলাদাভাবে চেয়ে নিন: শুধুমাত্র সাধারণ KYC ফর্ম জমা দিলে অনেক সময় NPCI সার্ভারে DBT লিঙ্ক হয় না। তাই সরকারি প্রকল্পের টাকা (যেমন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বার্ধক্য ভাতা, স্কলারশিপ) পাওয়ার জন্য কাউন্টার থেকে অবশ্যই ‘Application for Linking/Seeding Aadhaar in NPCI Mapper’ ফর্মটি চেয়ে নিয়ে সই করে এই দরখাস্তের সাথে পিন করে দেবেন।
- কোথায় জমা দেবেন: আপনার হোম ব্রাঞ্চে (Home Branch) গিয়ে গ্রাহক পরিষেবা কাউন্টারে বা নির্দিষ্ট KYC ডেস্কে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ফর্ম ও নথিপত্র জমা দিন।
- বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ (e-KYC): অনেক ব্যাংকে কাগজপত্র জমা নেওয়ার পাশাপাশি তৎক্ষণাৎ মেশিনে আঙুলের ছাপ (Biometric Fingerprint) নিয়ে e-KYC ও আধার সিডিং সম্পন্ন করে দেওয়া হয়।
- স্ট্যাটাস চেক করার নিয়ম: আবেদন জমা দেওয়ার ৫ থেকে ৭ দিন পর আপনার আধার কার্ডের পোর্টালে (myaadhaar.uidai.gov.in) লগইন করে ‘Bank Seeding Status’ অপশন থেকে চেক করে নিতে পারেন আপনার অ্যাকাউন্টটি NPCI-তে ‘Active’ দেখাচ্ছে কি না।